সিলেট ২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আন্তর্জাতিক এআই ও সিকিউরিটি সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান যাচ্ছেন সিলেটের মছনুল করিম চৌধুরী

প্রকাশিত জুন ২৯, ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক এআই ও সিকিউরিটি সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান যাচ্ছেন সিলেটের মছনুল করিম চৌধুরী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সাইবার নিরাপত্তা প্রযুক্তির বৈশ্বিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে জাপানে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে যাচ্ছেন দেশের শীর্ষ নিরাপত্তা পন্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেড করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান মো: মছনুল করিম চৌধুরী। আগামী ২-৩ জুলাই জাপানের ওসাকায় এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

দুই দিনব্যাপী এই মেগা সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গবেষক, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেবেন। সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা প্রাইভেসি, ডিজিটাল অবকাঠামো, স্মার্টস্পতি শিল্প, ক্লাউড প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি গ্লোবাল ট্রেড করপোরেশনের সিইও ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান মো: মছনুল করিম চৌধুরী আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সিলেট ব্রাঞ্চের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সফরের মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দেশীয় শিল্পখাতের অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, উন্নত প্রযুক্তি বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বৈশ্বিক উদ্ভাবনের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই সফরের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে তাদের এআই সিকিউরিটি সল্যুশনের কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে সমপ্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই ও সাইবার নিরাপত্তা বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতি, শিল্প ও বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। ফলে এ ধরনের মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ দেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা বহন করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ সমপ্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের টেকসই বিকাশে সুদূরপ্রসারী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।